শিক্ষা যে কোন জাতিকে সারা বিশ্বের নিকট পরিচয় করিয়ে দেয়। একটি জাতিকে শিক্ষিত করার জন্য প্রয়োজন একজন শিক্ষিত মায়ের। নেপোলিয়ন বলেছেন “তোমরা আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও আমি তোমাদেরকে একটি শিক্ষিত জাতি দিব”। মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হাতিয়া একটি দ্বীপ। চারিদিকে সাগর দ্বারা বেষ্টিত একটি দ্বীপের সহজ সরল সাধারন মানুষ গুলোকে অন্ধকার থেকে বের করে আলোর পথ দেখাতে ১৯৬৬ সালে হাতিয়ার চরর্ঈশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মরহুম মাছউদল হক খান এদেশের গরিব, দুঃখী মানুষের কথা চিন্তা করে এবং অত্র দ্বীপে শিক্ষার আলো জ্বালাতে তাহার পিতা মরহুম খান সাহেব ছৈয়দ মিয়ার নামে অত্র বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। মুলত এ সুচনা করেন তিনি নিজেই। একটি বট বৃক্ষের নিচে তিনি প্রথম পাঠশালাটি শুরু করেন। পরবর্তীতে এটি হাটি হাটি পা পা করে এগিয়ে যেতে থাকে এবংতার এই স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেন তিনি নিজেই। তিনি বিদ্যালয়টির জন্য একটি… [ আরও পড়ুন ]

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম “মানুষ হওয়া মানুষের জন্য কঠিন কাজ”। আর একজন শিক্ষক হচ্ছেন মানুষ গড়ার কারিগর। যারা এই মহান দায়িত্বটি পালন করছেন তাদের প্রতি রইল অত্র বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা। তার সাথে সাথে গভীর শ্রদ্ধা, আন্তরিকতা ও ভালবসায় স্মরণ করছি অত্র বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম মাছউদল হক খানকে। আমরা মরহুমের বিদেহী আত্বার মাগফেরাত কামনা করছি। আমরা নিরলস চেষ্টা করছি এ দেশের গরীব দুঃখী মেহনতী মানুষ গুলোর শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে। অত্র বিদ্যালয়ের সাফল্যকে ধরে রাখতে আমরা নতুনত্বকে সংযোজন করেছি। বর্তমানে অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা হাতে কলমে তথ্য প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান ভিত্তিক লেখাপড়ার সুযোগ পাচ্ছে। এই সকল শিক্ষার্থীকে গড়ে তোলার জন্য আমরা নিয়োগ করেছি একদল তরুন মেধাবী শিক্ষককে। যাদের আপ্রাণ প্রচেষ্টায় অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুনগত মান অক্ষুন্ন রয়েছে। আমি অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে আপনাদের সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। আমি আশা করি আপনার সহযোগিতায় আমি অত্র বিদ্যালয়কে আর ও দ্রুত এগিয়ে নিতে পারব। সকলেই আমার জন্য দোয়া করবেন। মোঃ নজরুল ইসলাম খান… [ বিস্তারিত ]

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম শিক্ষা যে কোন জাতিকে পরিচয় করিয়ে দেয়। একটি জাতিকে শিক্ষিত করা সহজ কাজ নয়।মূল ভু-খণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হাতিয়া একটি দ্বীপ। চারিদিকে সাগর দ্বারা বেষ্টিত একটি দ্বীপের সহজ সরল সাধারন মানুষ গুলোকে অন্ধকার থেকে বের করে আলোর পথ দেখাতে ১৯৬৬ সালে হাতিয়ার চরঈশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মরহুম মাছউদল হক খান এদেশের গরিব, দুঃখী মানুষের কথা চিন্তা করে এবং অত্র দ্বীপে শিক্ষার আলো জ্বালাতে তাহার পিতা মরহুম খান সাহেব ছৈয়দ আহমদ মিয়ার নামে অত্র বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়াও তিনি ছৈয়দিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছৈয়দিয়া জামে মসজিদ, ওছখালী খান সাহেব ছৈয়দিয়া সরকারী হাই স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। তৎকালীন সময়ে এটিই ছিল হাতিয়ার দক্ষিণ অঞ্চলের একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। হাতিয়া ছাড়াও সন্দ্বীপ, রামগতি, মনপুরার বহু শিক্ষাথীর মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াতে এ বিদ্যালয়ের অবদান অপরিসীম। বিদ্যালয়টি দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্তপুর্ন ভুমিকা পালন করছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি তার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। শিক্ষার পাশাপাশি সহপাঠক্রমিক কার্যাবলী সহ সামাজিক উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ডে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ১৪জন শিক্ষক, ২টি পাকা ভবন, ২টি টিন সেড ভবন, ৪টি সেনেটারি টয়লেট,… [ বিস্তারিত ]